রাজনীতি

যুক্তরাজ্যে নতুন প্রধানমন্ত্রীর শপথ

রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দূর করার প্রত্যয়

রাজনীতি ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৩:১২, ২০ জুলাই ২০২৬;  আপডেট: ০০:২৭, ২১ জুলাই ২০২৬

রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা দূর করার প্রত্যয়

রাজা হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর এবার চতুর্থবারের মতো যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিলেন তৃতীয় চার্লস।

যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন দেশটির প্রধান রাজনৈতিক দল লেবার পার্টির নেতা অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। দেশটির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সর্বশেষ ধাপ হিসেবে আজ সোমবার রাজার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে গত ১০ বছরের মধ্যে সপ্তম ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন তিনি। সে সময় এক ভোটের মধ্য দিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে আসে যুক্তরাজ্য, যা ‘ব্রেক্সিট’ নামে বহুল পরিচিত।

চলতি বছরের জুন মাসে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছিলেন দেশটির তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। মূলত, সমর্থন কমে যাওয়া ও তাঁর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় এ সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

পরবর্তীতে, গত জুনে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার সুযোগ পান অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। এর আগে তিনি গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

এদিকে, ক্ষমতা ছাড়ার আগে তার উত্তরসূরীকে অভিনন্দন জানানোসহ নতুন যাত্রার সাফল্য কামনা করেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।

লন্ডনে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে দাঁড়িয়ে দেওয়া তার প্রথম বক্তৃতায় অ্যান্ডি বার্নহ্যাম দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিবেশ স্থিতিশীল করার অঙ্গীকার করেন। তিনি বলেন, ‘আমি জানি জনগণ রাজনীতি নিয়ে খুবই হতাশ। আমরা এতোদিন আমাদের সেরাটা দিতে পারিনি এবং এজন্য আমাদের অবশ্যই আরও ভালো কাজ করতে হবে।’

এ সময় তিনি এ বছরের শেষেই একটি ১০ বছর মেয়াদি অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মডেলের পরিকল্পনা তুলে ধরবেন বলে জানান। একইসঙ্গে, বর্তমানে যুক্তরাজ্যবাসীর জীবনযাত্রার অতিরিক্ত ব্যয়ের উল্লেখ করে আগামীকাল থেকেই তা কমাতে কিছু পদক্ষেপ নেবেন বলে অঙ্গীকার করেন।

এ ছাড়া দেশের আবাসন সংকট দূর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে সব যুক্তরাজ্যবাসীর স্বপ্ন ফিরিয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার করেন নতুন প্রধানমন্ত্রী বার্নহ্যাম।

নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বার্তা দিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট আর্সেলা ভন দের লিয়েন, জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জ এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি।

সূত্র : ডয়চে ভেলে।