সামরিক বাহিনীতে প্রথমবারের মতো নারী কর্মকর্তা নিয়োগ দিলো কুয়েত
রাজনীতি ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১:৪৭, ১৮ জুন ২০২৬; আপডেট: ২২:১৬, ১৮ জুন ২০২৬
কুয়েতের সেনাবাহিনীতে নারী কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেশটির জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।
পশ্চিম এশিয়ার দেশ কুয়েতে প্রথমবারের মতো একদল নারী দেশটির সামরিক বাহিনীতে কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় স্নাতক এইসব নারীদের সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া দেশটির জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। কুয়েতের আমিরের জারি করা এক অধ্যাদেশের মধ্য দিয়ে সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে শপথ নেয় তারা।
গত মঙ্গলবার জাঁকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত নারী কর্মকর্তাদের নিজ নিজ পদবী অনুযায়ী সবার সামনে পরিচয় করিয়ে দেন কুয়েতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ আলি আব্দুল্লাহ আল-সালেম আল-সাবাহ। এরপর শপথ বাক্য পাঠের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সামরিক বাহিনীতে তাদের যাত্রা শুরু করে ওই নারী দল।
এ সময় তাদের অভিবাদন জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী। একইসঙ্গে, সামরিক বাহিনীতে নারীদের যোগদানের বিষয়টি দেশটির সেনাবাহিনীতে নারী প্রতিনিধিত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে এটি দেশের যোগ্য ব্যক্তিকে সুযোগ করে দেওয়ার সামরিক বাহিনীর অঙ্গীকারে প্রতিফলন বলেও মন্ত্রী জানান।

এ সময় নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের কাজের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা, মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এ ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্ব পালন এবং এর নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কাজ করে যাওয়ার পাশাপাশি নিজেদের মেধা ও দক্ষতার ক্রমাগত উন্নয়নেরও অনুরোধ করেন মন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে কুয়েতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছাড়াও সামরিক বাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল খালেদ আল-শুহরাইয়ান, সামরিক কর্মকর্তাদের উপ প্রধান মেজর জেনারেল পাইলট সাবাহ জাবের আল-আহমেদ আল-সাবাহ এবং আরও অন্যান্য জেষ্ঠ্য সামরিক কর্মকর্তারা যোগ দেন।
উল্লেখ্য, প্রথম নারী কর্মকর্তাদের এই নিয়োগ কুয়েতের সামরিক বাহিনীর জন্য একটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। একইসঙ্গে দেশটির অন্যান্য জাতীয় প্রতিষ্ঠান এমনকি নেতৃত্বের পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টির চলমান প্রক্রিয়ার এটি উজ্জ্বল এক দৃষ্টান্ত।
সূত্র : দ্য টাইমস অব কুয়েত।



