রাজনীতি

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ

ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের

রাজনীতি ডেস্ক

প্রকাশিত: ০০:১৪, ১৬ জুন ২০২৬;  আপডেট: ০১:৩৪, ১৬ জুন ২০২৬

ইরানের সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের

সোমবার ওমানের মুসানদাম থেকে হরমুজ প্রণালিতে দৃশ্যমান জাহাজ। ছবি : সিএনএন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। গতকাল সোমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফ এ ঘোষণা দেন। আগামী ১৯ জুন শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হবে বলেও জানান তিনি। 

গতকাল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ভার্চুয়ালি এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। দেশ দুটির এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ইতালি এবং কাতার।

চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে ইরানের বন্দরসহ হরমুজ প্রণালি আবারও চালু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 

একইসঙ্গে, এর ফলে লেবাননসহ সব পক্ষের তরফ থেকেই সেনা অভিযান বন্ধ হবে বলে জানান ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী। লেবাননে চলমান ইসরায়েলি হামলা বন্ধ করা এ চুক্তিরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে উল্লেখ করেছে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানও।

তবে, তারা এখনই লেবাননের দক্ষিণাংশ থেকে সেনা সরিয়ে নেবে না বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। এ অবস্থায়, চুক্তিটি স্বাক্ষরের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে আবারও বৈরুতে হামলার জন্য ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ব্যাপক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে।

এর আগেও, চুক্তি স্বাক্ষর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের শেষ মুহূর্তে এসে কোনো সমস্যায় না জড়াতে ইসরায়েলের প্রতি অনুরোধ করেছিলেন ট্রাম্প। এ সময় সুনির্দিষ্টভাবে লেবানন তথা হিজবুল্লাহর উপর আক্রমণ না চালাতে ইসরায়েলকে নির্দেশ দেন তিনি।

উল্লেখ্য, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর ঘোষণার পর পরই মার্কিন শেয়ার বাজারে এর ইতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে। একইসঙ্গে, গত তিন মাসের মধ্যে আজ তেলের বাজারেও দাম ছিলো সর্বনিম্ন পর্যায়ে।

এ অবস্থায় যুদ্ধ কারণে সৃষ্ট অর্থনৈতিক দুরাবস্থা থেকে সার্বিক পুনরুদ্ধারে আরও কিছুটা সময় লাগবে বলেই ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। 

সূত্র : বিবিসি, সিএনএন এবং ডয়চে ভেলে।