লাইফস্টাইল

চুলের যত্নে রোজমেরি তেল

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:২৪, ৩ আগস্ট ২০২৫

চুলের যত্নে রোজমেরি তেল

রোজমেরি তেল বা এর এমন মিশ্রণ সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক হলেও সবার ক্ষেত্রে সমান নিরাপদ না-ও হতে পারে।

চুলের যত্নে দিনদিনই বাড়ছে রোজমেরি তেলের কদর। সাম্প্রতিক গবেষণাগুলো বলছে, রোজমেরি তেল চুলের বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি চুলের শুষ্কতা ও মাথার ত্বকের অস্বস্তিকর চুলকানি কমাতেও বেশ কার্যকর।

গবেষণায় দেখা গেছে, চুলের বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত ওষুধ মিনোক্সিডিল-এর মতোই ফল দেয় রোজমেরি তেল। এ ছাড়া, এ তেল মাথার ত্বকের ব্যাকটেরিয়া কমাতেও বেশ কার্যকর। ফলে, যেসব ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়ার কারণে চুল পড়া দেখা দেয়, সেসব ক্ষেত্রে রোজমেরি তেল ভালো সমাধান হতে পারে।

তাহলে, চলুন দেখে নেওয়া যাক, চুলের যত্নে কীভাবে ব্যবহার করবেন রোজমেরি তেল :

যা যা লাগবে

নারকেল তেল = আধা কাপ
রোজমেরি তেল (এসেনশিয়াল অয়েল) = ২ টেবিল-চামচ

ব্যবহারের পদ্ধতি

ছোট সসপেনে অল্প আঁচে নারকেল তেল গরম করে নিন।
ভালোমতো নেড়ে-চেড়ে নিন।
চুলা থেকে নামিয়ে তেলটি ঠাণ্ডা করে নিন।
ঠাণ্ডা নারকেল তেলে রোজমেরি এসেনশিয়াল অয়েল মিশিয়ে নিন।

তেলের এ মিশ্রণটি ছোট কাঁচের বোতলে রাখুন; এতে তেল ভালো থাকবে।

তেল চুলায় গরম না করেও মিশ্রণটি বানাতে পারেন। এজন্য যা করতে হবে :

আপনার পছন্দমতো একটি তেল (নারকেল, অলিভ, ক্যাস্টর ইত্যাদি) বেছে নিন।
কাঁচের ছোট বোতলে তেলটি ঢেলে নিন।
এবার পাতাসহ রোজমেরির একটি ডাল ওই বোতলের ভেতরে রেখে দিন।
তেল ও পাতাভর্তি বোতলটি রোদে রাখুন।

রোদের তাপ এখানে চুলায় জ্বাল করার বিকল্প হিসেবে কাজ করবে। ৫ দিন পর তেলটি ব্যবহারের উপযোগী হবে। এভাবে তৈরি করা মিশ্রণটি চুলের পাশাপাশি মাথা বা ঘাড়ের ত্বকেও সরাসরি ব্যবহার করা যাবে।

বিশেষ সতর্কতা

রোজমেরি তেল বা এর এমন মিশ্রণ সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক হলেও সবার ক্ষেত্রে সমান নিরাপদ না-ও হতে পারে। প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কারো কারো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। ফলে, এ মিশ্রণ আপনার জন্য নিরাপদ কি না, তা বোঝার জন্য আগে আঙুলের ডগায় সামান্য একটু তেল নিন। ওই তেল ঘাড়ের একটি অংশে লাগিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে দেখুন। কোনো বিরূপ প্রতিক্রিয়া (যেমন : অ্যালার্জি) দেখা না দিলে তা আপনার জন্য নিরাপদ বলে ধরে নিতে পারেন।

বিশেষ দ্রষ্টব্য : এ লেখার উদ্দেশ্য চুল বা ত্বকের সমস্যার চিকিৎসা দেওয়া নয়; সাধারণভাবে কী ধরনের উপাদান এসব সমস্যার ক্ষেত্রে উপকার দিতে পারে, এ বিষয়ে প্রাথমিক সচেতনতা তৈরিই লেখাটির প্রকৃত উদ্দেশ্য। যে-কোনো সমস্যা সম্বন্ধে বিস্তারিত জানতে এবং কার্যকর ফল পেতে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিষয়ের বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

তথ্যসূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া।